নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ৬
পূর্বধলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিল, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং যানবাহন ভাঙচুরের অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পূর্বধলা থানা পুলিশ। শুক্রবার (১২জুন) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামী প্রজন্মলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা সদরের রাজপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলাম খোকন (৪৯), উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের মাসুদ রানা (২২), কাপাসিয়া গ্রামের শাহজাহান (৪৪) ,জামাইকোনা গ্রামের আতাউর রহমান (৪৫) ,পূর্বধলা বালিকা বিদ্যালয় রোড এলাকার মাজহারুল ইসলাম প্রিন্স (২৮) এবং শালদিঘা গ্রামের হযরত আলী (৪৬) ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (১২ জুন) সকালে শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের ফাজিলপুর এলাকায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসাইনের নেতৃত্বে একটি ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।,
শাহাদত হোসাইন নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমদ হোসেনের ছোট ভাইয়ের ছেলে। ছাত্রলীগের এ ঝটিকা মিছিলের ভিডিও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে শেয়ার করা হয়। এ ছাড়া শাহাদত হোসাইনের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকেও ভিডিওটি শেয়ার করা হয়।,
ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল, “মৃত্যুর মিছিলে আমরা এগিয়ে, ইনশাআল্লাহ। শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে। মুক্তি, মুক্তি, মুক্তি চাই। আহমদ হোসেনের মুক্তি চাই।”
দুই মিনিট ৫২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, শাহাদত হোসাইন মিছিলে নেতৃত্ব দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। তাঁর পেছনে ৩০ থেকে ৪০ জন নেতা-কর্মীকেও স্লোগান দিতে দেখা যায়।,
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত ১২ জুন ফাজিলপুর এলাকায় ঝটিকা মিছিল, অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড এবং যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ওরফে মনিরুল হক বাদী হয়ে ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ রানাকে প্রধান আসামী করে ৩৩ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৩০/৩৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে পূর্বধলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের আজ শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। ,’

